৬ মিলিমিটার পুরু এবং ৪০ মিলিমিটার ১৫০ মিলিমিটার মাপের দুইটি মাইন্ড স্টিল প্লেট লও।
ইলেকট্রোড নির্বাচনের জন্য নিচের বিষয়গুলোর বিবেচনা করতে হয়।
- কোন ধাতুকে ওরেল্ডিং করতে হবে?
- ধাতুর গুরুত্ব কেমন?
- কোন ধরনের জোড়া?
- কোন অবস্থানে ওয়েন্ডিং হবে?
- কোন ধরনের কারেন্ট (এসি অথবা ডিসি)
বেশি পুরুত্বের পাতের জন্য মোটা ইলেকট্রোড এবং কম গুরুত্বের পাতের জন্য চিকন ইলেকট্রোড নিতে হয়। এক্ষেত্রে উক্ত পুরুত্বের জন্য ১০ গেজি ইলেকট্রোড ব্যবহার করতে হবে।
- ডিসি মেশিনে ওয়েল্ডিং করলে ওয়ার্কপিস নেগেটিভ প্রান্তে এবং ইলেকট্রোড পজেটিভ প্রান্তে যুক্ত কর। একে রিভার্স পোলারিটি বলে। অন্ন পুরুত্বের ধাতু জোড়ে এ পোলারিটি উপযুক্ত।
- এ.সি মেশিনে ধাতু জোড়ে যে কোন প্রান্তে ওয়ার্কশিস সংযোগ করতে পারা যায়।
- ডান হাতে ইলেকট্রোড হোল্ডার এবং বাম হাতে ইলেকট্রোড ধর।
- হোল্ডারের লিভারের উপর ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি চাপ প্রয়োগ করে ইলেকট্রোডের ফ্রান্সের আবরণ বিহীন স্থানটি হোন্ডারের চোয়াল দুইটির মাঝে আটকাও।
- ভালো সংযোগের জন্য হোল্ডারের চোয়াল দুইটি সর্বদা পরিষ্কার করে রাখতে হবে।
ধাতু জোড়ের সেট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারেন্ট বেশি সেট করা হলে যেমন সমস্যা সৃষ্টি হবে, তেমনি কারেন্ট কম সেট করা হলে ধাতু জোড়ে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে। তাই কারেন্ট সেট করার ক্ষেত্রে নিম্নের বিষয়গুলো বিবেচনায় আনতে হবে।
- যে ধাতুকে জোড় দেওয়া হচ্ছে তার পুরুত্ব
- জোড়ার স্থান।
- ইলেকট্রোডের ব্যাস।
তবে এ কাজের জন্য ৯০ হতে ১০০ অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট মেশিনে সেট কর। নিম্নের চার্ট হতে সঠিক কারেন্ট সেট করা যেতে পারে।
| কাজের পুরুত্ব (মিলিমিটারে) | ইলেকট্রোড কোর এর ব্যাস (মিলিমিটারে) | কারেন্ট (অ্যামপিয়ার) | ভোল্টেজ (ভোল্ট) |
|---|---|---|---|
| ০.৮ | ০.৮ | ২০ | ১৫ |
| ১.৬ | ১.৬ | ৩৩ | ১৫ |
| ৩.০ | ৩.০ | ৯০ | ১৭ |
| ৬.০ | ৪.০ | ১১০ | ১৮ |
| ১০.০ | ৫.০ | ১৩০ | ১৯ |
| ১৫.০ | ৫.৫ | ১৬০ | ২১ |
| ১৯.০ | ৬.০ | ১৬৫ | ২২ |
| ২৫.৪ | ৬.০ | ২৯৫ | ২২ |
ইলেকট্রোডের ব্যাস নির্বাচনের জন্য মূল ধাতুর পুরুত্বের সাথে ৩ মিলিমিটার যোগ করে যোগফলকে ২ দিয়ে ভাগ করলে মোটামুটি ইলেকট্রোড-এর ব্যাস পাওয়া যাবে, কিন্তু ওয়ার্কপিসের পুরুত্ব খুব বেশি বা কম হলে এ নিয়ম চলে না।
ওয়ার্কপিস দুইটিকে ১ মিলিমিটার থেকে ১.৫ মিলিমিটার ফাক করে পাশাপাশি রাখ । জবের সাথে ইলেকট্রোডকে ৭০° হতে ৮০° কোণে ধরে জবের দুই পার্শ্বে দুইটি এবং মাঝে একটি ট্যাক ওয়েল্ড কর।
- ইলেকট্রোডকে জবের দুই পাশ হতে ৯০° কোণে এবং ওয়েল্ডিং-এর দিকে ওয়ার্কপিলের সাথে ৭০° হতে ৮০° কোণে ধর।
- সমগতিতে ও সম আর্ক লেখে বজার রেখে ইলেকট্রোড চালনা কর ।
- গুৱাৰপিস শেষ পর্যন্ত ওয়েন্ড কর এবং ওয়ার্কপিসের শেষ প্রান্তে ইলেকট্রোড সামান্য সময়ের জন্য ধরে একটু সামনে এনে ওরেও কাজ সম্পন্ন কর। এতে জোড় ত্রুটি যুক্ত হবে।
ওয়াকাপল ঠান্ডা হলে জোড়াহাদের উপর হতে চিপিং হ্যামার এবং তারের ব্রাশের সাহায্যে ানের আবরণ পরিষ্কার করা।
ব্রেকিং এর সময় তারকি সর্বোচ্চন, এতে ইলেকট্রোড চালনার গণ্ডি, আর্ক লেখে, ইলেকট্রোডের অ্যাংগেল সঠিকভাবে বজায় রেখেছে কীনা তা দেখা যায়। ধাতু মোড়ের পর অবলোকন করা হলে দেখতে হবে।
- সমান হয়েছে ?
- আন্তার কটি আছে কী?
- ওয়ার্কশিস স্ট্যাটার যুক্ত কীনা ?
১। স্কয়ার বাট জোড়ের কার্যবস্তু প্রস্তুত প্রণালি উল্লেখ কর।
২। স্কয়ার বাট জোড়ের কার্যবস্তু ট্যাককরণ ব্যক্ত কর ।
৩। স্কয়ার বাট জোড়ের কার্যবস্তু ট্যাক করণের সময় লক্ষণীয় বিষয় উল্লেখ কর।
৪। স্কয়ার বাট জোড়ের সময় ও জোড় শেষে পরীক্ষণীয় বিষয়সমূহ বর্ণনা কর।
৫। ওয়েল্ডিং-এর সময় ও পরে জোড়ের কী কী দেখতে হয় উল্লেখ কর।
৬। ওয়ার্কপিস ট্যাক করতে লক্ষণীয় বিষয়গুলো উল্লেখ কর।
Read more